Sylhet Nation
ঢাকাশুক্রবার , ২১ আগস্ট ২০২৬
  1. আইসিটি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খেলাধুলা
  4. চাকরি
  5. জাতীয়
  6. প্রধান সংবাদ
  7. প্রবাস
  8. বাংলাদেশ
  9. বিনোদন
  10. মৌলভীবাজার
  11. রাজনীতি
  12. লাইফ স্টাইল
  13. শিক্ষা
  14. সাহিত্য
  15. সিলেট
আজকের সর্বশেষ খবর

শ্রমিকদের বোবা কান্না: বৈধ পাথর অবৈধ ঘোষণা করে নিলামে বিক্রির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আগস্ট ২১, ২০২৬ ৮:৫৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমা ছড়ায় বৈধভাবে উত্তোলন করা পাথরকে অবৈধ ঘোষণা করে নিলামে বিক্রির অভিযোগে মানববন্ধন করেছেন শ্রমিক ও স্থানীয়রা। আজ অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে নিলাম প্রক্রিয়া বন্ধ, বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত এবং শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।

‎মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উৎমা ছড়ার পাথর উত্তোলন ও পরিবহনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে অসংখ্য শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জড়িত। তাদের শ্রম ও বিনিয়োগের ওপর নির্ভর করেই চলে শত শত পরিবারের জীবন-জীবিকা। কিন্তু বৈধভাবে উত্তোলিত পাথরকে অবৈধ ঘোষণা করে নিলামে বিক্রি করা কতটা যৌক্তিক। ২০১৯-২০২১ সালের এপ্রিল পর্যন্ত চলে উৎমা পাথর কোয়ারি। সেই সময় এই পাথর গুলো উত্তলন করা হয়৷ পরে কোয়ারি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর পাথর গুলো নেওয়া যায় নি। তাই স্টক করে রাখা আছে৷

‎শ্রমিকরা বলেন, দিন-রাত পরিশ্রম করে যে পাথর উত্তোলন করা হয়েছে, সেই পাথর যদি অবৈধ ঘোষণা করে নিলামে বিক্রি করা হয়, তাহলে তাদের শ্রম ও বিনিয়োগের দায়ভার কে নেবে?

‎মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শ্রমিক ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, পাথরের বৈধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে তা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা উচিত। কিন্তু প্রকৃত বিষয় যাচাই না করে পাথর নিলামে বিক্রি করা হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন সাধারণ শ্রমিকরা।

‎বক্তারা আরও বলেন, পাথর ব্যবসার সঙ্গে শুধু ব্যবসায়ীরাই জড়িত নন; এর সঙ্গে শ্রমিক, পরিবহন শ্রমিক, নৌযান শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জড়িত। ফলে এ ধরনের সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাব পড়বে স্থানীয় অর্থনীতি ও অসংখ্য শ্রমজীবী পরিবারের ওপর।

‎মানববন্ধন থেকে উৎমা ছড়ার পাথর নিলাম বন্ধ, পাথরের বৈধতা যাচাইয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

‎শ্রমিকদের কণ্ঠে আজ ছিল একটাই প্রশ্ন ‎“আমাদের ঘামের ফসল যদি অবৈধ হয়, তাহলে আমাদের শ্রমের মূল্য কোথায়?”