সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমা বনপুর লামাগ্রামের সম্রাট ডেবিল দেলোয়ার মেম্বার। লামাগ্রামের মৃত জমশিদ আলীর ছেলে দেলোয়ার মেম্বার। ৫নং উত্তর রনিখাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ডেবিল দেলোয়ার মেম্বার।
আওয়ামী লীগের আমলে উৎমায় গরু থেকে শুরু করে ভারতীয় সকল অবৈধ মালামাল বাংলাদেশে আনত৷ পুলিশ ও বিজিবি ম্যানেজ করে এসব কাজ করত ডেবিল দেলোয়ার। তার সাথে এমরান আলী (কালা ডাক্তার) বিভিন্ন মামলায় জেলে গেলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে দেলোয়ার মেম্বার। আওয়ামী লীগের দাপট দেখিয়ে ৫ আগষ্টের আগে সকল চোরাচালানের লাইন চালাতো ডেবিল দেলোয়ার মেম্বার।
পটপরিবর্তন হলেও পরিবর্তন হইনি ডেবিল দেলোয়ার মেম্বারের চোরাচালানের লাইন। আগের চেয়ে অনেকটাই স্বাভাবিক ভাবেই চলছে দেলোয়ার মেম্বার সাম্রাজ্য। অভিযোগ আছে কিছুদিন আগে ভারতীয় গরু নামানোর সময় বিজিবি বাধা দিলে দেলোয়ার মেম্বার ও তার দলবল বিজিবি সদস্যকে আঘাত করে আহত করে। যদিও এবিষয়ে উৎমা বিওপির ভিআইপি সদস্য বলেন মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হাতে আঘাত পেয়েছি৷
অভিযোগ আছে ভারতীয় প্রতি গরু থেকে পুলিশ ও বিজিবির নামে ৮০০/১০০০ টাকা করে উত্তোলন করে ডেবিল দেলোয়ার মেম্বার। প্রতি বস্তা চিনি থেকে ২০০ টাকা ও প্রতি বস্তা কসমেটিক আইটেম থেকে ৩০০ টাকা এবং মাদক থেকে পরিমান অনুযায়ী টাকা উত্তলন করেন দেলোয়ার।
পটপরিবর্তনের পর ডেবিল দেলোয়ার মেম্বার জেলে যাওয়ার কথা। কিন্তু সে তার অপরাধ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে দিনদিন। তার পিছনে কে এই ক্ষমতার উৎস। কোথা থেকে এই ক্ষমতা পাচ্ছে ডেবিল দেলোয়ার মেম্বার। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হয়েও বর্তমানে এত ক্ষমতার উৎস কি?? সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষের মনে এই এক প্রশ্ন, দেলোয়ার মেম্বারের ক্ষমতা উৎস কোথায়? তা খতিয়ে দেখা।
এবিষয়ে জানতে দেলোয়ার মেম্বার কে বার বার কল করা হয় কিন্তু তিনি কল রিসিভ করেন নি।
পুলিশের নামে টাকা উত্তলনের বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসমানী গনি জানান, দেলোয়ার কে?? আমাদের নামে কোনো টাকা উত্তলন এর খবর আমরা জানি না। আপনারা মাধ্যমে জানলাম। আমরা তদন্ত করে আইননুসারে শাস্তি নিশ্চিত করবো।
